Friday, August 31, 2018

সিদ্দিকীয়া ছাত্রী নিবাস, আজিমপুর, ঢাকা


বেসরকারী উদ্যোগে সিদ্দিকীয়া ছাত্রী নিবাস ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত। এখানে কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত ছাত্রীদের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে।

অবস্থান
আজিমপুর মাতৃসদন থেকে পশ্চিমে ছাপড়া মসজিদের কাছাকাছি শাহ্-সাহেব বাড়ীর ঠিক ৬০ গজ দক্ষিণে আনন্দ ভবনের পশ্চিমে মা-জেনারেল ষ্টোর সংলগ্ন সাদা রং করা ভবনে সিদ্দিকীয়া ছাত্রী নিবাস অবস্থিত।

ঠিকানা
২৯/ বি, আজিমপুর রোড, ছাপড়া মসজিদের পাশে শাহ্-সাহেব বাড়ীর মোড়ে, ঢাকা- ১২০৫
মোবাইল- ০১৭১১-০৪২৪৬২
ফোন- ০২-৮৬৫০৬৩৯

ভবনের বর্ণনা
  • ৪ তলা বিশিষ্ট ভবন।
  • ৩য় তলা এবং ৪র্থ তলায় বোর্ডার রাখা হয়।
  • এখানে মোট ১০ টি বেডরুম আছে।
  • প্রত্যেক ফ্লোরে ২ টি বারান্দা আছে।
  • প্রত্যেক ফ্লোরে ৩ টি করে টয়লেট আছে।
  • এখানে একটি মাত্র ডাইনিং রুম আছে।
  • এখানে ১০০ বর্গফুট এবং ২০০ বর্গফুট দুই ধরণের রুম রয়েছে।
  • রুমগুলোতে ৪ জন থেকে ৫ জন করে থাকার ব্যবস্থা রয়েছে।
  • রুমগুলোর ফ্লোর সাধারণ এবং হোয়াইট ওয়াশ করা।

বুকিং, ভাড়া এবং অন্যান্য খরচ
  • হোষ্টেলে সিট পাওয়ার জন্য হোষ্টেল সুপারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হয়।
  • যোগাযোগের মোবাইল নম্বর: ০১৭১১-০৪২৪৬২
  • সিট পাওয়ার জন্য ১ মাস পূর্বে যোগাযোগ করতে হয়।
  • খালি থাকা সাপেক্ষে সিট বুকিং দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
  • সিট পাওয়ার জন্য অগ্রীম বাবদ একমাসের ভাড়া ও খাওয়ার সম্পূর্ণ টাকা এবং ভর্তি ফি বাবদ আরো ১০০০ প্রদান করতে হয়।  
  • সিট নেওয়ার সময় অভিভাবকসহ এসে ছাত্রীর দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি ও কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয়পত্রের ফটোকপি জমা দিতে হয়।
  • সিঙ্গেল বেডের ভাড়া এবং খাওয়ার খরচ সহ ৩,৮০০ টাকা প্রদান করতে হয়।
  • ডাবল বেডের ভাড়া এবং খাওয়ার খরচ সহ ৩,০০০ টাকা প্রদান করতে হয়।
  • প্রতি মাসে জনপ্রতি ২৫০ টাকা হারে বুয়া, পত্রিকা এবং সিকিউরিটির জন্য আলাদা চার্জ নেওয়া হয়।
  • প্রতি মাসের ৭ তারিখের মধ্যে চলতি মাসের ভাড়া নগদে পরিশোধ করতে হয়। কারণে যদি বোর্ডার তার ভাড়াটি না দিতে পারে সেক্ষেত্রে তাকে প্রতিদিন ১০ টাকা হারে জরিমানা প্রদান করতে হয়

খাবার মেনু
  • সকাল- রুটি, সুজি/ডাল/ডিম।
  • দুপুর- ভাত, মাংস (৪ দিন), ভাত, মাছ (ডিম)।
  • রাত- ভাত, সুজি, ডিম।
  • মাসের শেষে ১ দিন পোলাও মাংস খাওয়ানো হয়।
  • এখানে ছাত্রীদের রান্না করতে দেওয়া হয় না।

বিবিধ
  • হোষ্টেলটি সকাল ৮ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত খোলা থাকে। এই সময়ের মধ্যে ছাত্রীদের বাইরের কাজ সেরে হোষ্টেলে ফিরতে হয়।
  • মেহমান রাখার ব্যবস্থা নেই।
  • রুমের খাট, টেবিল, চেয়ার এবং বাল্ব হোষ্টেল কর্তৃপক্ষ সরবরাহ করে থাকে।
  • বোর্ডারদের সাথে গেষ্ট দেখা করতে আসলে কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে বাইরে দেখা করতে হয়।
  • কোন বোর্ডার অসুস্থ হলে হোষ্টেল কর্তৃপক্ষ ডাক্তার দেখানোর ব্যবস্থা করে থাকে। চিকিৎসা খরচ বোর্ডার বহন করতে হয়।
  • সিট বাতিলের জন্য হোষ্টেল কর্তৃপক্ষকে ১ মাস পূর্বে জানাতে হয়।
  • চলে যাওয়ার সময় আলোচনা সাপেক্ষে কিছু সার্ভিস কেটে রাখা হয়।
  • টাকা, গহনা এবং মোবাইল সামগ্রী নিজ দায়িত্বে রাখতে হয়।
  • টিভি, মোবাইল, কম্পিউটার ব্যবহার করা যায়।
  • কম্পিউটার ব্যবহার করলে আলাদা বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে হয়।
  • হোষ্টেলটিতে সার্বক্ষনিক দারোয়ান রয়েছে।
  • অগ্নি নির্বাপণের ব্যবস্থা নেই।
  • খাওয়া-দাওয়ার জন্য আলাদা ডাইনিং রয়েছে।
  • কোন হল রুম নেই।

শেলটেক জয় ছাত্রী হোস্টেল, বনানী, ঢাকা


বনানীতে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে অধ্যায়নরত ছাত্রীদের থাকার সমস্যা সমাধানে ১৯৮৮ ইং সালে শেলটেক জয় ছাত্রী হোস্টেল যাত্রা শুরু করে।

অবস্থান
বনানী ডিআইটি মাঠের ৫০ গজ উত্তরে কে ব্লকের ১ নং প্লটে এর অবস্থান। (মোস্তফা সেন্টারের ১০০ গজ উত্তরে)

ঠিকানা
২৭/২৮, বীর বিক্রম মঈনুল চৌধুরী রোড, প্লট# ১, ব্লক# কে, বনানী, ঢাকা- ১২১৩
মোবাইল- ০১৭৩৭-১১০১৫৪

হোষ্টেল ভবন
  • শেলটেক জয় ছাত্রী হোস্টেলটি ৫ম তলা ভবনের ৩য় তলায় অবস্থিত।
  • রুম লাগোয়া বারান্দা রয়েছে।
  • বারান্দায় ভেজা কাপড় শুকানোর ব্যবস্থা রয়েছে।

সিট পেতে হলে
  • এই হোস্টেলে সিট পাওয়ার জন্য ১ মাস পূর্বে বুকিং দিতে হয়।
  • বুকিংয়ের জন্য হোস্টেল সুপারের সাথে যোগাযোগ করতে হয়।
  • যোগাযোগ নম্বর- ০১৭৩৭-১১০১৫৪
  • ৫০ টাকা মূল্যে ভর্তি ফরম সংগ্রহ করতে হয়।
  • পূরণকৃত ফরমের সাথে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হয়।
  • সিট বুকিংয়ের জন্য ১ মাসের চার্জ অগ্রিম প্রদান করতে হয়।
  • সিট পেতে বোর্ডারের বয়স ১৫ বা এর বেশি হতে হয়।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
  • স্থায়ী ঠিকানা
  • কর্মস্থল/ বিশ্ববিদ্যালয়/ কলেজের নাম ও ঠিকানা
  • জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি
  • দুইকপি পাসপোর্ট সাইজের রঙ্গিন ছবি
  • অভিভাবককে (মা/বাবা) ভর্তির সময় উপস্থিত থাকতে হয়।

রুমের সরঞ্জাম
  • রুমের শোয়ার খাট, পড়ার চেয়ার টেবিল, বৈদ্যুতিক পাখা ও বৈদ্যুতিক বাতির ব্যবস্থা হোস্টেল কর্তৃপক্ষ করে থাকে।
  • এসকল সরঞ্জামের জন্য হোস্টেল কর্তৃপক্ষকে কোন চার্জ প্রদান করতে হয় না।

সিট ও সিট ভাড়া
  • প্রতিরুমে ৪ জন করে থাকতে পারে।
  • প্রতিবেডে ১ জন আবার ২ জনও থাকতে পারে।
  • খাওয়া-দাওয়ার জন্য মাসে ৭,০০০ টাকা করে দিতে হয়।

খাবারের ব্যবস্থা
  • খাওয়া-দাওয়ার জন্য আলাদা ডাইনিং ব্যবস্থা রয়েছে।
  • এখানে ব্যক্তিগতভাবে আলাদা রান্না করার ব্যবস্থা নেই
  • খাওয়া-দাওয়ার জন্য হোস্টেলে বুয়া ব্যবস্থা রয়েছে।

খাবার মেনু
বার
সকাল
দুপুর
রাত
শনিবারখিচুড়ীডিম, সবজি, সালাতমাংস, সবজি, ডাল
রবিবারডাল, আলুভর্তা, ভাতডিম, সবজি, সালাতমাংস, সবজি, ডাল
সোমবারডাল, আলুভর্তা, ভাতমাছ, সবজি, সালাতডিম, সবজি, ডাল
মঙ্গলবারভাজি, ডাল, ভাতমাংস, সবজি, সালাতডিম, সবজি, ডাল
বুধবারভাজি, ডাল, ভাতডিম, সবজি, সালাতমাছ, সবজি, ডাল
বৃহস্পতিবারখিচুড়ীডিম, সবজি, সালাতমাংস, সবজি, ডাল
শুক্রবারভাজি, ডাল, ভর্তামাংস, সবজি, সালাতডিম, সবজি, ডাল

প্রবেশ ও বাহির
  • সন্ধ্যা ৭ টার মধ্যে হোস্টেলে প্রবেশ করতে হয়।
  • দেরী হলে হোস্টেল সুপারের সাথে যোগাযোগ করতে হয়।

মেহমান
  • বোর্ডারগণের সাথে সর্বোচ্চ একজন মেহমান একদিনের জন্য অবস্থান করতে পারে।
  • একদিনের বেশি অবস্থান করতে চাইলে প্রতিদিনের জন্য ৩০০ টাকা হারে চার্জ প্রদান করতে হয়।

ভাড়া
  • প্রতিমাসের ১ তারিখে ভাড়া পরিশোধ করতে হয়।
  • হোস্টেলের সকল বিল নগদ টাকায় পরিশোধ করতে হয়।

অন্যান্য চার্জ
  • টিভি, কম্পিউটার, মোবাইল, সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহারের জন্য প্রতিমাসে ৫০ টাকা দিতে হয়।
  • তবে সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহারের উচ্চ শব্দের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হয়।

সিট বাতিল
  • সিটি বাতিলের জন্য ১ মাস আগে জানাতে হয়।
  • চলে যাওয়ার সময় অগ্রীম টাকা ফেরত দেওয়া হয়। তবে ডাইনিং এর জন্য ২০০ টাকা দিতে হয়।

বিবিধ
  • নামাজের জন্য আলাদা ব্যবস্থা রয়েছে অথবা বারান্দায় নামাজ পড়া যায়।
  • পানি, গ্যাস, বিদ্যুৎ, ইন্টারনেট, ফ্যান,ডিশ সুযোগ-সুবিধা রয়েছে।
  • পত্রিকা, বুয়া, সিকিউরিটি, পিএবিএক্স এর জন্য আলাদা কোন চার্জ দিতে হয় না।

টয়লেট ব্যবস্থা
  • এই হোস্টেলে মোট ৪ টি টয়লেট রয়েছে। টয়লেটগুলো বাথরুম লাগোয়া।
  • গোসল করার জন্য সব সময় পানি পাওয়া যায়।

নিরাপদ ছাত্রী হোষ্টেল, আজিমপুর, বিজিবি গেট, ঢাকা


নিরাপদ ছাত্রী নিবাস একটি ছাত্রী হোষ্টেল। দূর দূরান্ত থেকে উচ্চশিক্ষা লাভের প্রত্যাশায় আগত নারী শিক্ষার্থীরা এখানে বসবাস করে থাকেন। ছাত্রী হোষ্টেলটি সুন্দর গোছানো, নিরিবিলি এবং নিরাপদ। এখানে ছাত্রীদের পাশাপাশি কর্মজীবি বা চাকুরী সন্ধানী মহিলাদের থাকার জন্য পৃথক সিটের ব্যবস্থা রয়েছে।

ঠিকানা এবং অবস্থান
নিরাপদ ছাত্রী হোষ্টেল
৩৭/৭, আজিমপুর টাওয়ার,
ওয়াহিদ ভবনের ৭ম তলা,
(আজিমপুর কবরস্থানের বিপরীতে)
৬৮/২ পিলখানা রোড
বিডিআর ২ নং গেট সংলগ্ন
হিটাচি শোরুমের ৬ষ্ঠ তলা।
মোবাইল: ০১১৯৮-১৬৮৫০৫, ০১৯২১-৩০৩০৬২

ভর্তি তথ্য

এই হোষ্টেলে সিট অথবা রুম নিতে হলে প্রথমে ১০০ টাকার বিনিময়ে ভর্তি ফরম সংগ্রহ করতে হয়। অতপর ভর্তিফরম যথাযথভাবে পূরণ করে সাথে ২কপি ছবি, ভোটার আইডি কার্ড এবং ক্ষেত্রবিশেষে অভিভাবকের সম্মতিপত্রের ফটোকপি অফিসে জমা দিতে হয়। ভর্তি হওয়ার সময় ১০০০ টাকা দিতে হয়।

খাবারের তালিকা
বারসকালদুপুররাত
শনিবারখিচুড়িডাল, ভাত, মাছ, ভাজিডাল, ভাত, ছোট মাছ, ভাজি
রবিবাররুটি ও সুজিডাল, ভাত, ডিম, ভাজিডাল, ভাত, ছোট মাছ, ভাজি
সোমবারখিচুড়িডাল, ভাত, ভর্তা, মাংসডাল, ভাত, ভর্তা, গিলা কলিজা
মঙ্গলবাররুটি ও ডালডাল, ভাত, মাছ, ভাজিডাল, ভাত, মাছ, হাফ ডিম
বুধবারখিচুড়িডাল, ভাত, ভর্তা, মাংসডাল, ভাত, ভর্তা, গিলা কলিজা
বৃহস্পতিবাররুটি ও সুজিডাল, ভাত, মাছ, সবজিডাল, ভাত, ভর্তা, সবজি
শুক্রবারডাল ও ভর্তাডাল, ভাত, ভর্তা, ডিমডাল, ভাত, সবজি, মাছের ডিম

  • মাসে একদিন মোরগ পোলাও ও কোল্ড ড্রিংকস খাওয়ানো হয়।

ভাড়া পরিশোধের বিশেষ ছাড়
  • দুই মাসের মাসিক চার্জ একত্রে প্রদানে ছাড় ১০০ টাকা।
  • তিন মাসের মাসিক চার্জ একত্রে প্রদানে ছাড় ২০০ টাকা।
  • পাঁচ মাসের মাসিক চার্জ একত্রে প্রদানে ছাড় ৪০০ টাকা।
  • ছয় মাসের মাসিক চার্জ একত্রে প্রদানে ছাড় ৬০০ টাকা।
  • এক বছেরর মাসিক চার্জ একত্রে প্রদানে ছাড় ১০০০ টাকা।
এছাড়া মাসিক চার্জ, সিট বা অন্য যেকোন সমস্যা, অভিযোগ, আলোচনা বা পরামর্শের জন্য নিম্নে উল্লেখিত দুই নির্বাহীর সাথে সরাসরি বা মোবাইলে যোগাযোগ করা যাবে। নির্বাহী দুজন হচ্ছেন:
(ক) সিমুঃ ০১১৯৮-১৬৮৫০৫; (খ) রিনাঃ ০১৯২১-৩০৩০৬২

সিট ভাড়া (৩ বেলা খাওয়া সুবিধা সহ)
খালি থাকার ভিত্তিতে সিট ভাড়া দেওয়া হয়। একেকটি রুমে ৩ জন থেকে ৪ জন ছাত্রী / কর্মজীবি মহিলা থাকতে পারে।
সিঙ্গেল সিটে ভাড়া ৩০০০ টাকা থেকে ৩৫০০ টাকা, ডাবলিং ২৪০০ টাকা থেকে ২৯০০ টাকা।
একজন ছাত্রী বা কর্মজীবি মহিলাকে সিট ভাড়া অগ্রীম প্রদান করতে হয়।
সিট ছাড়তে হলে কমপক্ষে ১ মাস পূর্বে হোষ্টেল সুপারকে জানাতে হবে।

বাহ্যিক নিরাপত্তা
হোষ্টেলের অবস্থানরত ছাত্রী / কর্মজীবি মহিলাদের হোষ্টেল কর্তৃপক্ষ বাহিরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন না।

হোষ্টেল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সচেতন অভিভাবকের দায়ত্ব পালন
হোষ্টেল সুপার হোষ্টেলে অবস্থানরত ছাত্রী / কর্মজীবি মহিলাদের সচেতন অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

আত্মীয় / দেশের বাড়ী বেরাতে যাওয়া
দেশের বাড়ী বা কোন আত্মীয় এর বাসায় কয়েক দিনের জন্য বেড়াতে যাওয়ার প্রয়োজনে হোষ্টেল সুপারকে অবশ্যই জানাতে হবে। সংশ্লিষ্ট বিষয় তখন নির্দিষ্ট করা হয়।
  
যা করা যাবে না
  • রুমে না থাকলে লাইট, ফ্যান বন্ধ রাখতে হবে।
  • প্রত্যেক রুমের ডুপ্লিকেট চাবি কর্তৃপক্ষের নিকট জমা থাকবে।
  • রেজিষ্ট্রার খাতায় না লিকে হোস্টেলের বাহিরে যাওয়া যাবে না।
  • একজন অন্যজনের সিট ব্যবহার করতে পারবে না এবং বিনা অনুমতিতে রুমের জিনিষ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নেওয়া যাবে না।
  • প্রত্যেকের বাটিতে তার নিজ নাম লিখে দিবে। কারো বাটির খাবার কেউ খাবে না।
  • রাত ৮টার পর কোন কারনে হোস্টেলের বাহিরে বের হওয়া বা ভিতরে প্রবেশ করা যাবে না।
  • বিনা নোটিশে কোন মেয়ে বাড়ি থেকে আসলে ঐ বেলার খাবাবর খাবে না।
  • বাথরুমে দেওয়া নির্দেশনাবলী সবাইকে মেনে চলতে হবে।
  • খাবারের আবর্জনা বা ময়লা বেসিন বা হাউজে ফেলা যাবে না। রান্নাঘরে রক্ষিত নির্দিষ্ট বালতিতে ফেলতে হবে।

নিয়মাবলী
  • ছাত্রীদের অবশ্যই নিজের সকল জিনিষপত্র নিয়ে আসতে হবে এবং তা গুছিয়ে ও পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করে রাখতে হবে।
  • হোস্টেল ছাড়ার ২ মাস পূর্বে কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই দরখাস্তের মাধ্যমে অবহিত করতে হবে। না করলে তাকে পরবর্তী মাসের সম্পূর্ণ চার্জ পরিশোধ করতে হবে। মাসের ৫ তারিখের মধ্যে সিট এবং মিল চার্জ পরিশোধ করতে হবে। নতুবা প্রতিদিনের জন্য ১০ টাকা করে জরিমানা দিতে হবে।
  • চুলা খালি থাকলে নিজস্ব টুকটাক কাজে ব্যবহার করতে পারবে, অন্যথায় না।
  • মোবাইলের রিংটোন কমিয়ে রাখতে হবে।
  • রাত ১১টার পরে টেবিল ল্যাম্প ব্যবহার করতে হবে।
  • নিজ মালামাল নিজ দায়িত্বে সংরক্ষন করতে হবে। হারালে বা নষ্ট হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না।
  • শিক্ষণীয় কাজের জন্য শর্তসাপেক্ষে লিখিত আবেদন করলে কম্পিউটার রাখার ও ব্যবহার করার অনুমতি দেয়া হবে। কম্পিউটার ব্যবহারের জন্য মাসিক চার্জ অতিরিক্ত ৩০০ টাকা এবং যাবতীয় সংযোগ খরচ ছাত্রীকে বহন করতে হবে।
  • বৈদ্যূতিক আয়রন হিটার, রুম হিটার বা এ জাতীয় ইলেক্ট্রিক কোন উপকরন ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কারো নিকট এরুপ কিছু পাওয়া গেলে বা ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংগে সংগে তার সিট বাতিল হবে এবং সর্বনিম্ন ১০০০ টাকা জরিমানাসহ পরবর্তী মাসের চার্জ প্রদান করে ছাড়পত্র নিতে হবে।
  • জানালা দিয়ে চুল, পানি, ও কাগজ ইত্যাদি বাহিরে ফেলা যাবেনা।
  • কেউ কারো রুমে জমায়েত হওয়া, আড্ডা দেওয়া বা অন্যের সাথে যাতায়াত করতে পারবে না। কখনো দলাদলি, হাসাহাসি বা উচ্চ স্বরে কথা বলা যাবেনা।
  • কোন প্রকার মাদক দ্রব্য সেবন বা সংরক্ষন করা যাবেনা।
  • হোস্টেল সুপারের অনুমতি ছাড়া কোন মহিলা গেষ্টকে হোস্টেলের ভিতরে শোবার ঘরে নেওয়া যাবে না। বিশেষ কারণে রাত্রে মহিলা গেষ্ট থাকার প্রয়োজন করলে লিখিত আবেদন এবং প্রতি রাত ১৫০ টাকা করে প্রদান করতে হবে।
  • রান্নার সময় রান্না ঘরে প্রবেশ করা ও কাজের বুয়াদের সাথে অশোভন আচরন ও ঝগড়া করা যাবে না।
  • রুমের দেওয়ালে পেরেক মারা বা ঠোকা করা চলবে না।
  • ছুটিতে থাকা অবস্থায় বা কোন কারণে খাবার না খেলেও নিয়ম অনুযায়ী হোষ্টেলের সমস্ত চার্জ মিল চার্জসহ পরিশোধ করতে হবে।
  • পবিত্র ঈদ উপলক্ষে প্রতি বছর ছাত্রী নিবাশ ১৫ দিন বন্ধ থাকবে। গ্রীষ্মকালীন ১৩ দিন বন্ধ থাকবে। বন্ধের আগে চলতি অথবা অগ্রীম মাসের হোষ্টেল ফি পরিশোধ করতে হবে।
  • নিজেদের কারণে রুমের লাইট, ফ্যান নষ্ট হলে রুমের সকলে মিলে তা ঠিক করতে হবে। এর জন্য কর্তৃপক্ষ কোন প্রকার দায়ী থাকবে না।
  • কোন অসংগতি মূলক আচরন করলে কর্তৃপক্ষ ২৪ ঘন্টার নোটিশে তাকে হোষ্টেল থেকে বের করে দেওয়ার ক্ষমতা সংরক্ষণ করেন।
  • হোষ্টেলে অবস্থান কালীন সময়ে মার্জিত ও শালীন পোষাক পরিচ্ছদ ব্যবহার করেত হবে। আপত্তিকর ও কুরুচিসম্পন্ন পোষাক ব্যবহার নিষিদ্ধ।

শান্তি নিবাস ছাত্রী হোস্টেল, মোহাম্মদপুর-ঢাকা


কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও চাকুরিজীবী মহিলাদের থাকার জন্য বেসরকারী ব্যবস্থাপনায় ২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় শান্তি নিবাস ছাত্রী হোস্টেল।

অবস্থান
মোহাম্মদপুর টাউন হল কাঁচাবাজার থেকে ১০০ গজ পশ্চিম দিকে এই ছাত্রী হোস্টেলটি অবস্থিত।

ঠিকানা
২৬/১৮, শেরশাহীসুরী রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা – ১২০৭।
মোবাইল: ০১৯১৬-৮২৯২৫৪

হোস্টেল ভবন
  • হোস্টেল ভবনটি ৫ তলা
  • ২য়, ৩য় ও ৪র্থ তলায় বোর্ডার রাখা হয়
  • প্রতি ফ্লোরে রুমের সাথে বারান্দা রয়েছে
  • প্রতিটি রুমের সাথে ১ টি করে টয়লেট রয়েছে।

রুমগুলো ও ভাড়া
  • এই হোস্টেলে দুই ক্যাটাগরীর রুম রয়েছে। ২ বেড ও ৩ বেড। ২ বেডের রুমগুলো ১০০ বর্গফুটের এবং ৩ বেডের রুমগুলো ১৫০ বর্গফুটের।
  • প্রতি বেডে ১ জন করে বোর্ডার রাখা হয়।

সিট বুকিং
  • কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও চাকরিজীবি মহিলাদের সিট বরাদ্দ দেয়া হয়।
  • সিট খালি থাকা সাপেক্ষে কমপক্ষে ৩০ দিন আগে সিট বুকিং এর জন্য যোগাযোগ করতে হয়।
  • যোগাযোগের নাম্বার: ০১৯১৬-৮২৯২৫৪
  • রুম বুকিং এর সময় অগ্রিম বাবদ ২,০০০ টাকা এবং রেজি: ফি বাবদ ১০০ টাকা সহ মোট ২,১০০ টাকা পরিশোধ করতে হয়।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
  • কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয়/চাকুরীরত প্রতিষ্ঠানের আইডি কার্ডের ফটোকপি
  • ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙ্গিন ছবি ও
  • একজন প্রকৃত অভিভাবককে সাথে আসতে হয়।

ভাড়া ও অন্যান্য খরচ
  • থাকা ও খাওয়া বাবদ জনপ্রতি মাসিক ৪,০০০ টাকা ভাড়া পরিশোধ করতে হয়।
  • কম্পিউটার বা টিভি ব্যবহার করলে ভাড়ার সাথে অতিরিক্ত ৩৫০ টাকা পরিশোধ করতে হয়। বুয়ার জন্য আলাদা কোন বিল প্রদান করতে হয় না।
  • প্রতি মাসের সিট ভাড়া মাসের ৭ তারিখের মধ্যে পরিশোধ করতে হয়।
  • বিশেষ অসুবিধা হলে ১০ তারিখ পর্যন্ত সময় দেয়া হয়।

সিট বাতিল
  • সিট বাতিলের জন্য ন্যূনতম ১ মাস আগে কর্তৃপক্ষকে জানাতে হয়।
  • সিট বাতিলের সময় অগ্রীম টাকা ফেরত দেয়া হয়।

খাওয়া দাওয়া
  • হোস্টেলে খাওয়া-দাওয়ার জন্য আলাদা ডাইনিং রুম আছে।
  • বোর্ডারদের ব্যক্তিগত উদ্যোগে রান্না করার কোন ব্যবস্থা নেই।
  • খাওয়া-দাওয়ার জন্য আলাদা কোন চার্জ প্রদান করতে হয় না। খাওয়া দাওয়ার বিল রুম ভাড়ার সাথে সংযুক্ত।

খাবার মেনু
  • সকাল – রুটি, সবজি, ডাল
  • দুপুর – ভাত, মাছ, ডাল (৪ দিন), ভাত, মাংস, ডাল (৩ দিন)
  • রাত – ভাত, সবজি, ডিম
  • সপ্তাহে একদিন বিরিয়ানী পরিবেশন করা হয়।

রুমের আসবাবপত্র
  • রুমের চেয়ার-টেবিল, খাট, পাখা, লাইট হোস্টেল কর্তৃপক্ষ সরবরাহ করে থাকে।
  • এগুলোর জন্য আলাদা কোন চার্জ প্রদান করতে হয় না।

গেট খোলা-বন্ধের সময়সূচী
  • প্রতিদিন সকাল সকাল ৭.০০ টা থেকে রাত ৮.০০ টা পর্যন্ত বোর্ডাররা হোস্টেলের বাইরে যেতে পারে এবং প্রবেশ করতে পারে।
  • এই সময়ের বাইরে অন্য কোন সময় বোর্ডাররা হোস্টেলের বাইরে যেতে পারে না।
  • বিশেষ প্রয়োজনে কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে এই সময়ের বাইরে প্রবেশ ও বাহিরের অনুমতি দেয়া হয়।

টয়লেট
  • হোস্টেলটিতে প্রতিটি রুমের সাথে আলাদা ১ টি করে টয়লেট রয়েছে।
  • বিদ্যুৎ থাকা সাপেক্ষে ২৪ ঘন্টাই পানি সরবরাহ করা হয়।

বিবিধ
  • এই হোস্টেলটিতে মেহমানদের থাকার কোন ব্যবস্থা নেই। হোস্টেল সুপারের অনুমতি সাপেক্ষে গেস্ট রুমে অভিভাবকদের সাথে দেখা করা যায়।
  • টাকা, গহনা, মোবাইল ও অন্যান্য মূল্যবান দ্রব্য নিজ দায়িত্বে রাখতে হয়। এসবের জন্য আলাদা কোন লকার ব্যবস্থা নেই।
  • কোন বোর্ডার অসুস্থ হলে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদানের ব্যবস্থা রয়েছে।
  • বোর্ডারদের নিরাপত্তার জন্য সার্বক্ষণিক দারোয়ান নিয়োজিত রয়েছে।

স্বর্গ ছাত্রী নিবাস, আজিমপুর, ঢাকা


আজিমপুর এলাকায় ছাত্রীদের থাকা-খাওয়ার জন্য যে’কয়টি হোস্টেল গড়ে উঠেছে তম্মধ্যে স্বর্গ ছাত্রী নিবাস একটি। এটি ২০১১ ইং সালের নভেম্বর মাসে আজিমপুরস্থ ‘শেফালী গার্ডেন’ ভবনের ৩য় তলায় যাত্রা শুরু করে।

অবস্থান
আজিমপুর ছাপড়া মসজিদ থেকে ১৫০ গজ পশ্চিমে শাহ দরবার মসজিদের সাথে এর অবস্থান। এজায়গাটি বটতলা নামে পরিচিত।

ঠিকানা
৩৩/৩/এ, শেফালী গার্ডেন, আজিমপুর রোড।
মোবাইল- ০১৭৬০-২০১৮৭২

হোস্টেল ভবন
  • হোস্টেল ভবনটি ৮ তলা বিশিষ্ট হলেও শুধুমাত্র ৩য় তলায় ছাত্রী হোস্টেল।
  • ছোট একটি বারান্দা রয়েছে।

কক্ষ ব্যবস্থাপনা
  • এখানে রুমগুলোর আয়তন প্রায় ১৪×‌১৬ ফুট।
  • প্রতিরুমে ৪-৫ জন করে বোর্ডার থাকে। বেডের ক্ষেত্রে দুটি ধরণ আছে সিঙ্গেল বেড ও ডাবল বেড। সিঙ্গেল বেডে ১ জন এবং ডাবল বেডে ২ জন করে বোর্ডার থাকে।
  • রুমের অনুসঙ্গের মধ্যে খাট, বৈদ্যুতিক পাখা ও বৈদ্যুতিক বাতি রয়েছে।
  • রুমের অনুসঙ্গের জন্য বোর্ডার কে কোন ধরনের চার্জ প্রদান করতে হয় না।
  • বোর্ডারকে টেবিল, তোষক, বালিশ, বিছানা চাদর ও মশারী নিয়ে আসতে হয়।
  • রুমে চেয়ার আনার প্রয়োজন হয় না। কারণ টেবিল খাটের সাথে রাখতে হয়। যেন খাটে বসেই পড়াশোনা করা যায়।

সিট পেতে
  • হোস্টেল কর্তৃপক্ষের সাথে ১ মাস আগে যোগাযোগ করে বুকিং দিতে হয়।
  • ১ মাসের থাকা-খাওয়া খরচ অগ্রিম প্রদান করতে হয়।
  • ভর্তি ফি বাবদ ৫০০ টাকা দিতে হয়।
  • বুকিংয়ের সময় ভর্তি ফরম সংগ্রহ করে পূরণকৃত ফরমের সাথে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হয়।
  • এখানে সিট পাওয়ার ক্ষেত্রে বয়সের কোন বাধ্যবাধকতা নেই।
  • এখানে সিট পেতে হলে স্বশরীরে এসে অথবা এই নম্বরে ০১৭৬০-২০১৮৭২ যোগাযোগ করতে হয়।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
  • এক কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙ্গিন ছবি।
  • ছাত্রীর আইডি কার্ডের ফটোকপি
  • ভর্তি ফরমে অভিভাবকের স্বাক্ষর

সিট বাতিল
  • সিট বাতিলের জন্য ১ মাস পূর্বে জানাতে হয়
  • সিট বাতিল করে হোস্টেল ছেড়ে দেওয়ার পূর্বে অগ্রিম থেকে কোন টাকা কেটে রাখা হয় না। অগ্রিমের সম্পূর্ণ টাকাই ফেরৎ দেওয়া হয়।

সিট ও খাবার চার্জ
  • সিঙ্গেল বেডের ক্ষেত্রে থাকা-খাওয়া জন্য মাসে ৩,৫০০ টাকা এবং ডাবল বেডের জন্য প্রতি মাসে ৩,৩০০ টাকা প্রদান করতে হয়।
  • প্রতি মাসের ১ থেকে ৫ তারিখের মধ্যে হোস্টেল সুপারের নিকট ভাড়া পরিশোধ করে রিসিট নিতে হয়।
  • এ হোস্টেলে খাওয়া-দাওয়ার জন্য আলাদা কোন কক্ষ নেই।
  • কেউ আলাদাভাবে রান্না করতে চাইলে সেক্ষেত্রে কোন অনুমতি দেওয়া হয় না।

খাবার মেনু

সময়
খাবার
সকালভর্তা অথবা ভাজি এবং ডাল,ভাত
দুপুরমাছ অথবা ডিম এবং ডাল, ভাত
রাতডিম অথবা মাছ এবং ডাল, ভাত
শুক্রবার
সকালখিচুড়ি
দুপুরমাংস (গরু)
রাতমাংস (মুরগি)

অন্যান্য চার্জ
  • হোস্টেলে বিনোদনের জন্য টেলিভিশনের ব্যবস্থা রয়েছে।
  • কোন বোর্ডার কম্পিউটার ব্যবহার করলে বাড়তি ৩০০ টাকা চার্জ প্রদান করতে হয়। অন্যের যেন অসুবিধা না হয় সেভাবে ব্যবহার করা নির্দেশ দেয়া হয়।
  • পানি ও গ্যাস সব সময়ই থাকে।
  • ইন্টারনেট, ফোন ও ডিশ নিতে চাইলে অবশ্যই আলাদাভাবে নিজের খরচে নিতে হয়।

প্রবেশ বাহির
  • সকাল ৬ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত হোস্টেলে প্রবেশ ও বাহির হওয়া যায়।

টয়লেট
এখানে টয়লেটের সু-ব্যবস্থা রয়েছে। এ হোস্টেলে সর্বমোট ২ টি টয়লেট রয়েছে। ২ টিই টাইলসকৃত। ড্রাইং রুম এবং অপর একটি রুমের সাথে এটাচ টয়লেট রয়েছে। তবে ২ টি টয়লেটই সকল বোর্ডারদের জন্য উম্মুক্ত। টয়লেটে সব সময়ই পানি সরবরাহ থাকে।

অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা
হোস্টেল কর্তৃপক্ষের নিজস্ব কোন অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা নেই। তবে ভবনে স্বল্প পরিসরে অগ্নি নির্বাপন ব্যব্যস্থা রয়েছে। এছাড়া মাত্র ১ কি.মি. দূরেই ফায়ার সার্ভিসের পলাশী শাখা অবস্থিত।

অতিথি
  • কেউ মেহমান নিয়ে এলে নিজের বেডে রাখতে পারে এবং প্রতিদিন ১০০ হারে চার্জ প্রদান করতে হয়।
  • পুরুষ অতিথিদের হোস্টেলে দেখা করার অনুমতি নেই। তবে মহিলা অতিথি হলে রুমে দেখা করার ব্যবস্থা রয়েছে।

অসুস্থ হলে
বোর্ডার অসুস্থ হলে হোস্টেল কর্তৃপক্ষ তেমন কোন ব্যবস্থা নেয় না। তবে এটি অনেক সময়ে রুমমেটদের সাথে বোঝাপড়ার/ আন্তরিকতার উপর নির্ভর করে। তাছাড়া একান্ত অসুস্থ হলে অভিভাবকের নিকট হোস্টেল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি অবহিত করে।

বিবিধ
  • নামাজের জন্য আলাদা কোন ঘর নেই।
  • আলাদা কোন লকার ব্যবস্থা নেই।
  • মূল ফটকে ছাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য সিকিউরিটির ব্যবস্থা রয়েছে।
  • পানি ও গ্যাস সব সময়ই থাকে।

Wednesday, October 11, 2017

EmPOWER Girls in Emergency Response and Resilience Planning

Since 2012, 11 October has been marked as the International Day of the Girl. The day aims to highlight and address the needs and challenges girls face, while promoting girls' empowerment and the fulfillment of their human rights. The day became international while United Nations General Assembly adopted Resolution 66/170 to declare October 11 as the International Day of the Girl Child on December 19, 2011, to recognize girls' rights and the unique challenges girls face around the world.

The International Day of the Girl Child focuses attention on the need to address the challenges girls face and to promote girls' empowerment and the fulfilment of their human rights.

Adolescent girls have the right to a safe, educated, and healthy life, not only during these critical formative years, but also as they mature into women. If effectively supported during the adolescent years, girls have the potential to change the world – both as the empowered girls of today and as tomorrow's workers, mothers, entrepreneurs, mentors, household heads, and political leaders. An investment in realising the power of adolescent girls upholds their rights today and promises a more equitable and prosperous future, one in which half of humanity is an equal partner in solving the problems of climate change, political conflict, economic growth, disease prevention, and global sustainability.

According to the UN Report, It is observed the last 15 years, the global community has made significant progress in improving the lives of girls during early childhood. In 2015, girls in the first decade of life are more likely to enrol in primary school, receive key vaccinations, and are less likely to suffer from health and nutrition problems than were previous generations. However, there has been insufficient investment in addressing the challenges girls face when they enter the second decade of their lives. This includes obtaining quality secondary and higher education, avoiding child marriage, receiving information and services related to puberty and reproductive health, and protecting themselves against unwanted pregnancy, sexually transmitted disease and gender-based violence.

As the global community launches the Sustainable Development Goals (SDGs) for implementation over the next 15 years, it is a good time to recognise the achievements made in supporting young girls, while at the same time aspiring to support the current and upcoming generation of adolescent girls, to truly fulfil their potential as key actors in achieving a sustainable and equitable world.



Wednesday, September 06, 2017

‘অন্যতম’ হওয়ার সহজ উপায়

সবার চেয়ে একটু ভিন্ন হতে সবাই চায়! যাকে এককথায় বলা যায় অন্যতম। কয়েকটি ব্যতিক্রম বাদ দিলে আমরা সবাই তো এমনটা চাই। কিন্তু অনেকের মধ্যে একজন কিংবা অন্যতম হয়ে ওঠাও খুব একটা সহজ ব্যাপার নয়। এর জন্যও প্রয়োজন কিছু বিষয় রপ্ত করার।
অনেকের মধ্যে অন্যতম
অন্যতম হতে হলে প্রথমত ‘একটি শিশুর বেড়ে ওঠার সময় অন্যতম হয়ে ওঠার ব্যাপারটি আয়ত্ত করতে হয়’। এটি এক দিনেই হয়ে ওঠে, এমন নয়। আবার একেকজনের একেকটি গুণ থাকে, যার ফলে ব্যক্তি কমনীয় হয়তে উঠতে পারেন। তবে সেই সঙ্গে কিছু বিষয়ে লক্ষ রাখা চাই।
নিজেকে গড়ে তুলুন
১. একজন ভালো যোগাযোগকারী হওয়া
আপনি কী বলবেন এবং কীভাবে বলবেন। দুটোই গুরুত্বপূর্ণ, যদি আপনি একজন ভালো যোগাযোগকারী হতে চান। যোগাযোগের অপর প্রান্তে থাকা ব্যক্তিটির অবস্থান, মনোভাব বুঝেই কথা বলুন। আর জীবনে চলার পথে নতুন অনেক মানুষ এবং অনেক পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হয়। হোক সেটা আপনার পরিবারের মধ্যেই কিংবা অফিস-আদালত, ক্যাম্পাসের পরিধিতে। তাই প্রতিটি পরিস্থিতি এবং পরিবেশ বুঝেই নিজের কথাগুলো বলতে শিখুন।
২. আত্মবিশ্বাস রাখুন সব সময়
হ্যাঁ, অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস যেমন ক্ষতিকর, তেমনি আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলাটাও ব্যক্তির জন্য সমস্যা। মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, নিজে যদি নিজের ওপর আস্থাই না রাখতে পারে, তাহলে অন্যরা কেন তাকে মানবে? বরং অন্যে যা-ই মনে করুক, আপনি নিজেকে কী মনে করছেন, সেটাই সবচেয়ে সাহসিকতার পরিচয়। কেননা, সবার চেয়ে আপনাকে চেনেন কিন্তু আপনি নিজেই। ভুল-ত্রুটিগুলো শুধরে নিয়ে নিজেকে গড়ে তুলুন।
৩. সহানুভূতি ও সমানুভূতি
সহানুভূতি তো আমরা সবাই বুঝি, কিন্তু সমানুভূতি কী? সহজ বাক্যে, নিজেকে অন্যের অবস্থানে দাঁড় করিয়ে চিন্তা করা। অন্যের সমস্যা বোঝার জন্য সমানুভূতি অধিক কার্যকর বলেই মনে করেন মনোবিজ্ঞানীরা। পাশের মানুষটি যেমনই হোক, মনে রাখুন, আপনার ও তার অবস্থান কিংবা পটভূমি এক নয়। তাই একপক্ষীয়ভাবে কোনো কিছু না দেখে পুরোটা ভেবে দেখুন।
৪. কোনো কিছু হারানোর ভয়
জীবনের সবকিছুকে জয় করা সম্ভব নয়। সাফল্য ও ব্যর্থতা দুটি মিলিয়েই আমাদের পথচলা। এবার সাফল্য আসেনি? তাই বলে সেটিকে আঁকড়ে ধরে রাখারও কিছু নেই। বরং ভুলটি শুধরে নিয়ে এগিয়ে চলুন।
৫. পারস্পরিক বোঝাপড়া
এটি হতে পারে আপনার পরিবার, বন্ধুমহল কিংবা প্রিয় মানুষটির সঙ্গে। একটি সম্পর্কে বাদ-বিবাদ হতেই পারে। কিন্তু এই ধরনের দ্বন্দ্ব যাতে পরস্পরকে দূরে না ঠেলে দেয়, সেটিও খেয়াল রাখুন। একে অপরের এই সমস্যাকে ইতিবাচকভাবে দেখার চেষ্টা করুন। সময় নিয়ে আপনার বন্ধুকে নাহয় বুঝিয়ে বলার দায়িত্বটা নিজেই নিলেন।
৬. অন্যকে বলতে দিন
একজন ভালো যোগাযোগকারী কিন্তু নিজে বলার চেয়েও অন্যকে বলার সুযোগ দেন বেশি। হ্যাঁ, আমরা সবাই চাই নিজের ব্যাপারটি আগে প্রকাশ করতে। সে ক্ষেত্রে অন্যকেও বলার সুযোগ দিন। প্রয়োজনে ভালো বক্তার পাশাপাশি নিজেকে একজন ভালো শ্রোতা হিসেবে তৈরি করুন।
৭. প্রত্যেকের নাম মনে রাখা
চলার পথে হয়তো সবার নাম আপনার মনে থাকবে না। কিন্তু অন্তত চেষ্টা করুন এমনটি করার। আপনার নাম যখন কেউ ভুলে যায়, তখন কেমন লাগে বলুন তো? ঠিক অন্যের ক্ষেত্রেও তাই।
৮. নৈকট্য কিংবা স্পর্শ
অনেক সময় আপনার সামান্য নৈকট্যপ্রিয় মানুষটির কাছে অনেক বড় হয়ে দাঁড়ায়।
৯. আপনার পোশাক এবং বাহ্যিক কিছু আচরণ
হ্যাঁ, নিজেকে কমনীয় করে তোলার অন্যতম মাধ্যম হলো আপনার পোশাক এবং আপনার চালচলন। নিজেকে কোন ধরনের পোশাকে মানিয়ে যায়, সেটি লক্ষ করুন। এই বাহ্যিক বিষয়টির সঙ্গে আপনার বসার ভঙ্গিমা, আলোচনার সময় হাতের নড়াচড়া  এই প্রতিটি সূক্ষ্ম বিষয় কিন্তু প্রভাব রাখে।
আজ থেকেই নাহয় গড়ে তুলুন নিজেকে!


আদিবাসী, ভূমি ও জীবন

আদিবাসীদের কাছে ভূমিই জীবন, ভূমিই অস্তিত্ব। আদিবাসীদের ভূমি অধিকার কিছু বলার আগে, সম্পদ, ভূমি, বন, প্রাণী জগত, ধরিত্রী ও অধিকার সম্পর্কে আদ...